গত ঈদুল আজহার আগে তার ছেলে ১৫ লাখ টাকা দিয়ে ছাগল কিনেছিল। সেই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাকে আদালতে ভিন্ন রূপে দেখা গেল।
আসামির কাঠগড়ায় একটি বেঞ্চে তিনি বসা ছিলেন। তার মুখে লম্বা দাড়ি, মাস্ক দিয়ে ঢাকা ছিল। তার পাশে তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজও বসে ছিলেন। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন যখন মামলার শুনানি করছিলেন, তখন মতিউর ও তার স্ত্রী নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে কথা বলছিলেন।
২৩ মিনিট পর মতিউর রহমানদের দুর্নীতির মামলার শুনানি শুরু হয়। প্রথমে মতিউরের আইনজীবী ওয়াহিদুজ্জামান আদালতকে বলেন, তার মক্কেল এবং স্ত্রী কয়েক মাস ধরে জেলে আছেন। তারা ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি আদালতকে তাদের জামিন দেওয়ার অনুরোধ জানান এবং বলেন যে তারা জামিন পেলে পালিয়ে যাবেন না।
এরপর মতিউর রহমান নিজেই আদালতে কথা বলার অনুমতি চান। তার আইনজীবীও তাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। আদালত অনুমতি দিলে মতিউর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করেন। তিনি আদালতকে জানান যে তিনি জেলে থাকাকালীন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, কিভাবে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।










